
স্টাফ রিপোর্টার ঃ জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা বালিয়াকান্দি উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মতবিনিময় সভা ।
জাতীয় আইনগত সহায়তা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একটি বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা গঠিত। পৃথিবীর সকল দেশেই রয়েছে আইনগত সহায়তা কমিটি। আমার ব্যাক্তিগত ভাবে চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের আইনগত সহায়তা কমিটির কার্যক্রম দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। বাংলাদেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে রাজস্ব খাতের আওতায় এ কমিটির কার্যক্রম চলছে। আমরা যে সংবিধান পেয়েছি এতে আমরা সৌভাগ্যবান। আইনের চোখে সবাই সমান। আইনগত সহায়তা প্রার্থী ও বিচারপ্রার্থী আইনগত সমস্যায় ভুগতে পারি। আমরাও পরতে পারি এ সমস্যায়। বুধবার বিকালে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মতবিনিময় সভায় রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল হক প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব মোঃ মাসুম রেজার সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন, রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক শারমিন নিগার, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ আরাফাত হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আশেকুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার ( পাংশা সার্কেল) ফজলুল করিম, রাজবাড়ী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এম.এ খালেক, রাজবাড়ী জেলা বার এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আজম মামুন, সাবেক সভাপতি এ্যাড. গণেশ নারায়ন চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, সরকারী উকিল (জিপি) এ্যাড. মোঃ আনোয়ার হোসেন,পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাড. উজির আলী শেখ, জঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস প্রমুখ। আইনগত সহায়তা কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী জজ ইশরাত জাহান।
রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল হক আরো বলেন, কোন নির্যাতিত ও দারিদ্র ব্যাক্তিগত ঝামেলায় পড়ে থানা পুলিশ ও উকিলের মাধ্যমে টাকা পয়সা খরচ না করে বিচার পেতে পারেন লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে। একটি সভা করে মাসে কার্যক্রম শেষ করতে পারি। কিন্ত আমার উদ্দেশ্যে যাদের জন্য কাজ করছি, তারা যাতে জানতে পারে। রাজবাড়ী জেলার ৫টি উপজেলাতে কাজ শুরু করেছি। ইতিমধ্যে ৩টিতে সম্পন্ন হয়েছে। বাকী দু,টি উপজেলা করার পর পর্যায়ক্রমে ৪২টি ইউনিয়নেই এ কার্যক্রমে সভা করবো। এজন্য উপজেলা কমিটি ও ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের অগ্রণী ভুমিকা রাখতে হবে। গ্রামের অতিদরিদ্র নির্যাতিত একটি মানুষও যেন বিচার থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করতে হবে। তাহলেই জাতীয় আইনগত সহায়তা কমিটির কার্যক্রম সফল হবে। মতবিনিময় সভায় সরকারী কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য-সদস্যা, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
